শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ১২:১৩ অপরাহ্ন
ঘোষণাঃ
বহুল প্রচারিত বঙ্গবাজার পত্রিকায় আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আজই যোগাযোগ করুন,এছাড়াও আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনা, দুর্ঘটনা, দুর্নীতি, ভালো খবর, জন্মদিনের শুভেচ্ছা, নির্বাচনি প্রচারণা, হারানো সংবাদ, প্রাপ্তি সংবাদ, সংর্বধনা, আপনার সন্তানের লেখা কবিতা, ছড়া,গান প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। ❤️দেশ সেরা পত্রিকা হতে পারে আপনার সহযাত্রী ❤️

কন্যা সন্তান আল্লাহ তায়ালার শ্রেষ্ঠ উপহার

  • বঙ্গ নিউজ ডেস্কঃ প্রকাশিত মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

সন্তান আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাকে দেওয়া এক বিশেষ নেয়ামত ও শ্রেষ্ঠ উপহার। সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে। আল্লাহ যাকে-তাকে কন্যা বা পুত্র সন্তান দেন। পবিত্র কোরআনে এ কথারই ইঙ্গিত দিচ্ছেন ‘তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই আর যাকে ইচ্ছা করে দেন বন্ধ্যা।’ (সুরা শুরা : ৪৯-৫০) পুত্র সন্তান যেমন আল্লাহ তায়ালার নেয়ামত, তেমনি কন্যা সন্তানও আল্লাহর নেয়ামত। পুত্র সন্তানের যেমন প্রয়োজন আছে, কন্যা সন্তানেরও তেমনি প্রয়োজন আছে। পুরুষ নারীর মুখাপেক্ষী, নারী পুরুষের মুখাপেক্ষী। উভয়ের সৃষ্টি ও জন্মগ্রহণ আল্লাহ তায়ালার বিশেষ হিকমত ও কল্যাণ-জ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল।

রাস‍ুল (সা.) তার কন্যাদের অনেক বেশি ভালোবাসতেন। কন্যারা ছিল তার আদরের দুলালী। আজীবন তিনি কন্যাদের ভালোবেসেছেন এবং কন্যা সন্তান প্রতিপালনে অন্যদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। কন্যা সন্তান লালন-পালনে অনেক উৎসাহ দিয়েছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) কন্যা সন্তান লালনপালনের ব্যাপারে যে পরিমাণ ফজিলতের কথা উল্লেখ করেছেন, পুত্র সন্তান লালনপালনের ক্ষেত্রে সে পরিমাণ বলেননি। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তির তিনজন কন্যা সন্তান বা তিনজন বোন আছে আর সে তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করেছে, তাদেরকে নিজের জন্য অসম্মানের কারণ মনে করেনি, সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (তিরমিজি: ১৯১২)। অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তির তিনজন কন্যা সন্তান বা তিনজন বোন আছে অথবা দুজন কন্যা সন্তান বা বোন আছে, সে তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে এবং তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাকে ভয় করেছে তাহলে তার জন্য রয়েছে জান্নাত।’ (তিরমিজি : ১৯১৬)
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তিকে কন্যা সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সে ধৈর্য্যরে সঙ্গে তা সম্পাদন করেছে সেই কন্যা সন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড়াল হবে।’
(তিরমিজি : ১৯১৩)
অন্য এক হাদিসে এসেছে, আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আমার কাছে এক নারী এলো। তার সঙ্গে তার দুই মেয়ে। আমার কাছে সে কিছু চাইলো। কিন্তু একটি খেজুর ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই ছিল না। আমি তাকে সেটি দিয়ে দিলাম। সে তা গ্রহণ করল এবং তা দুই টুকরো করে তার দুই মেয়ের মাঝে ভাগ করে দিল। কিন্তু তা থেকে সে নিজে কিছুই খেল না। তারপর ওই নারী ও তার মেয়ে দুটি উঠে চলে গেল। ইত্যবসরে আমার কাছে রাসুল (সা.) এলেন। আমি তার কাছে ওই নারীর কথা বললাম। নবীজি (সা.) বললেন, ‘যাকে কন্যা দিয়ে কোনো কিছুর মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয় আর সে তাদের প্রতি
যথাযথ আচরণ করে, তবে তা তার জন্য আগুন থেকে রক্ষাকারী হবে।’ (মুসলিম : ৬৮৬২; মুসনাদ আহমদ : ২৪৬১৬)।
এজন্য আমাদের সকলের উচিত হলো, যাদের কন্যা সন্তান আছে, তাদেরকে আল্লাহর উপহার ভেবে কন্যা সন্তানদের প্রতিপালন করা, হৃদয় উজাড় করে কন্যা সন্তানকে ভালোবাসা। আর যাদের কন্যা সন্তান নেই কন্যা সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।

এই ধরনের আরও খবর

Advertising

আর্কাইভ

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন এখানে

জেলা প্রতিনিধি হতে যোগাযোগ করুন

সপ্তাহের সেরা ছবি

© All rights reserved © 2022 bongobazarpatrika.com
Theme Download From ThemesBazar.Com